মায়ের কবিতা- ১১ | বৃথা
আমি চাইনি এমন প্রাসাদ
চাইনি আমি এমন আলোয়
আমি চাইনি এমন রাজত্ব
চেয়েছিলাম একটি নিবিড় কুটির
সেই কুটিরের, আমি মুকুটহীন সম্রাজ্ঞী।
আমি চাইনি এমন প্রাসাদ
চাইনি আমি এমন আলোয়
আমি চাইনি এমন রাজত্ব
চেয়েছিলাম একটি নিবিড় কুটির
সেই কুটিরের, আমি মুকুটহীন সম্রাজ্ঞী।
আমি দেখেছি সেই নবীন যুবকটিকে
মুখ ভরা হাসি তার প্রাণ খোলামেলা।
দিতে চায় সে দূর করে সকলের ব্যথা-বেদনা
ঘুম ঘুম চোখে, ঘুম আসে না মোটে
দুঃশ্চিন্তার বোঝা নিয়ে আমরা আছি বেঁচে
ভালবাসার প্রেক্ষাপটে কথা বলোনা
জীবনের এতগুলো বছর কেটে গেল
তবু যেন তুমি মোর কাছে নতুন
কোনদিন হবে না মোর কাছে পুরাতন।
কি জানি কি ভাবনায়, ভেবে মরি দিবা নিশি
যত আশা জাগে মনে, নিরাশ হই সর্বক্ষণে।
ছন্দ দিয়ে কবিতা লিখি
হৃদয় দিয়ে ভালোবাসি।
জীবনটা কতটুকু আমারতো নেই জানা
কেন অহেতুক ভেবেই সারা,
কল্পনায় যার ছবি আঁকে,
আমিতো তাকে চিনিনা।
ওগো মোর বিশ্বাসের কন্ঠমালা
শুনবে মোর গীতি রচনা!
যেদিন ভুবনে এসেছি আমি,
কেঁদেছিলাম সজোরে
হেসেছিল সবে ভাবেনি তারা
আমি যে অবলা।
তুমি ডাকো যখন শুধু তোমারি পাশে থাকতে,
এ জীবন ধন্য হয় তোমারি স্পর্শে,
পৃথিবীর যত জ্বালা হয় যেন নিবারণ
তোমারি পাশে থাকলে।