মায়ের কবিতা ২৩ । দোয়া
একদিন সকাল বেলা বলেছে আমার সন্তানেরা
মা তুমি কেমন আছো?
বলেছি আমি, রেখেছে খোদা যেমন
নীরবে কেঁদেছি তখন বলেছি যখন
দুই হাত তুলে করেছি প্রার্থনা
মানুষ যেন হয় আমার সন্তানেরা।
একদিন সকাল বেলা বলেছে আমার সন্তানেরা
মা তুমি কেমন আছো?
বলেছি আমি, রেখেছে খোদা যেমন
নীরবে কেঁদেছি তখন বলেছি যখন
দুই হাত তুলে করেছি প্রার্থনা
মানুষ যেন হয় আমার সন্তানেরা।
আটলান্টা জর্জিয়া প্রদেশে অবস্থিত। কোকা কোলার জন্মস্থান এই আটলান্টায়। এর হেড অফিস ছাড়াও দেখার মতো অনেক কিছু রয়েছে। আমেরিকার সবচেয়ে বড় অ্যাকুরিয়াম রয়েছে এই আটলান্টায়। আমাদের সময় খুব সংক্ষিপ্ত হওয়ায় এর কিছুই দেখার সুযোগ হয়নি। তবে আমার স্বামী অফিসিয়াল ট্যুর ছিলো আটলান্টায়। তিনি অনেক কিছু দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।
Animal Kingdom এর আয়তন ৫৮০ একর। এটা একটু অন্যরকম। চারটা পার্কের মধ্যে এটা সবচেয়ে বড়। ওখানে গিয়ে দেখি মহাদেশ অনুযায়ী এলাকা ভাগ করা। এশিয়াতে বাংলা লেখা দেখে খুব ভালো লাগল।মাঝে মাঝে মনে হয় কোন প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকায় এসেছি। আরো ছিল ডিসকভারী ট্রেইলস আইল্যান্ড, ফেস্টিভাল অফ দ্যা লায়ন কিং, গ্রিটিংস ট্রেইল, কিলিমাঞ্জারো সাফারি, ওয়াইল্ড একপ্রেস ট্রেন, ফ্লাইটস অফ ওয়ান্ডার, মহারাজা জাঙ্গেল ট্রেক, কালি রিভার র্যাপিড, এক্সপিডিশন এভারেস্ট, বার্ড শো, রোলার কোস্টার, বিভিন্ন রাইড, আফ্রিকার জঙ্গলে ট্যুর, সাফারী পার্ক, বোট ট্যুর।
আমাদের বেশির ভাগ স্বপ্নই পূরণ হয়না। তাও আমরা নতুন করে স্বপ্ন বুনি, নতুন করে বাঁচতে শিখি, নতুন করে জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যাই। স্বপ্নে আমরা অনেক কিছু করে ফেলতে পারি বিনা বাঁধায়। স্বপ্ন না থাকলে আমাদের জীবনটা হয়ে যেত স্থবির, গতিহীন, নিরানন্দ। নতুন করে স্বপ্ন দেখি বলে নতুন করে বাঁচতে শিখি।
চিকেন তন্দুরি বিভিন্নভাবে বানানো যায়। এয়ার ফ্রায়ারে কম সময়ে এবং কম উপকরণ দিয়ে খুব সহজে বানানো যায় এই চিকেন তন্দুরি। অনেকের বাসায় হয়ত এয়ার ফ্রায়ার নেই, তারা এটা চুলায় করে নিতে পারেন।
চিকেন তন্দুরি স্বাস্থ্যকর একটা খাবার। আমরা সবাই কম বেশি তা খেতে পছন্দ করি। এয়ার ফ্রায়ারে বানালে এটা আরো বেশি স্বাস্থ্যকর হয়ে উঠে।
ইচ্ছে করে জড়িয়ে পড়ি
হৃদয়খানা মেলে ধরি
মানুষগুলি কত কঠিন
দিবানিশি ভেবে মরি।
২১শে ডিসেম্বর গেলাম ডিজনি পার্ক Hollywood Studio তে। Epcot পার্কের তুলনায় এই পার্কটা ছোট, এর আয়তন ১৩৫ একর। এখানেও অনেক গুলো রাইড ছিল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল High school Musical Show। স্টার ট্যুরস, দ্য গ্রেট মুভি রাইড, ইন্ডিয়ানা জোনস, ৩ডি মুভি, রক এন্ড রোলার কোস্টার, টোয়ালাইট জোন অব টাওয়ারসহ আরো অনেক রাইড। রাইড এবং মুভিগুলো অনেক মজার ছিল।
কোম্পানীর পক্ষ থেকে খুব সুন্দরভাবে আমাদের অভ্যর্থনা জানালো। সাথে মজার ব্রেকফাস্টও করালো। অনেক সুন্দর পরিবেশ। প্রচুর লোক দেখতে পেলাম। এক দম্পতি ছিলো যাদের ৫০তম বিবাহ বার্ষিকী ছিলো। তাদের জন্যও স্পেশাল আয়োজন করলো।
এবার এলো আসল কথায়! ওদের কিছু হোটেল বিক্রি করছে ওগুলো নিয়ে দেখাল। কেনার জন্য অনেক রকমের খাতির আপ্যায়ন করল। শেষে যখন বুঝালাম আমরা এখানকার স্থানীয় না এবং আমরা এটা কিনতে পারব না, তখনই ওদের মুখটা কালো হয়ে গেল এবং মুহুর্তেই আতিথেয়তায় ভাটা পড়ে গেল।
তুমি নিজের জন্য যা ভালবাস, সকলের জন্যও তা ভালবাস। তোমার উপর অত্যাচার করে এটা যেমন তুমি চাও না, তেমনি অন্যের উপরও অত্যাচার করো না। অন্যের মধ্যে যা খারাপ বলে তুমি মনে করো, নিজের মধ্যেও তা খারাপ বলে মনে করতে শেখো। তুমি যা জান তাই বলো। যা জানো না তা বলো না।
হযরত আলী (রা:)
চারপাশের গাছগুলো মনে হচ্ছিল আগুনে পুড়ে যাওয়া গাছ। কালো রঙয়ের পাতাবিহীন গাছগুলো দাঁড়িয়ে আছে। দেখে মনে হয় শিশুর পেন্সিলে আঁকা গাছ। ভার্জিনিয়া পার হয়ে মেরিল্যান্ড, নর্থ ক্যারোলিনা, সাউথ ক্যারোলিনা, আটলান্টা হয়ে ফ্লোরিডার দিকে যেতে যেতে কালো গাছগুলো ধীরে ধীরে সবুজ ও পাতাযুক্ত হতে থাকে। ফ্লোরিডায় যখন পৌঁছি তখন একেবারে সবুজে ঘেরা ফ্লোরিডা। সত্যি কত রূপে এক আমেরিকা!