মায়ের কবিতা- ৩৮ । সফর
প্রণয়, আজ আর নয় কথা
গড়িয়ে গেছে অনেক বেলা
তোমার দর্শন পাওয়ার আশায়
এসেছি সকাল বেলা।
প্রণয়, আজ আর নয় কথা
গড়িয়ে গেছে অনেক বেলা
তোমার দর্শন পাওয়ার আশায়
এসেছি সকাল বেলা।
প্রত্যেকের জীবনে সমস্যা আছে। বেশিরভাগ সময় কোন ঝামেলা ছাড়াই আমরা তা খুব সহজেই সমাধান করতে সক্ষম। অতীতে কাজ করেছে এমন একটা কৌশল কাজে লাগিয়ে আমরা তা দ্রুত সমধান করতে পারি। যেমন ধরুণ আপনি যদি সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরী করে ফেলেছেন এবং কর্মক্ষেত্রে দেরী হয়ে যাচ্ছেন, তখন কিন্তু আপনি স্বাভাবিক সময়ের চাইতে কম সময়ে তৈরি হয়ে যান এবং অফিসে ফোন করে আপনার দেরী হওয়ার বিষয়টা অবগত করে দেন।
মনে ছিল বড় আশা
শ্যামলের সাথে বাঁধবো সুখের এক বাসা।
তীর্থন নদীর ঘাটে বসেছিল শ্যামল একেলা।
আমি ঠিক জানিনা আমেরিকায় কেন জমানো বা মেয়াদী টাকার উপর কোনরূপ সুদ, মুনাফা বা লভ্যাংশ দেয় না। কারণ যাই হোক সবাই তা মেনে নিচ্ছে এবং এই নিয়ে তাদের মধ্যে কোন দ্বিধাও নেই। যে কোন দেশে সরকারীভাবে নিয়ম একবার চালু হলে তা মেনে নিতে জনগণ বাধ্য। তবে ব্যাংক থেকে যে লোন দেওয়া হয় তা কিন্তু সুদ মুক্ত নয়। আপনার ভালো ক্রেডিটের উপর লোনের মেয়াদ এবং সুদের পরিমাণ নির্ভর করে।
যে পাত্রে রান্না করবেন তা যেন সঠিক মাপের হয়। রান্না করার জন্য উপকরণগুলোকে পর্যাপ্ত জায়গা দিন। এতে করে যাই রান্না করুন না কেন নষ্ট হবে না।
পিঁয়াজ কাটার আগে ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিন বা গগলস পরুন। এতে পিঁয়াজ কাটতে গিয়ে চোখের পানি বের হবে না।
বিভিন্ন ধরণের কাটিং কৌশল যেমন ডাইসিং, জুলিয়েনিং এবং মিনচিং এই ধরণের কৌশলগুলো শিখুন। বিভিন্ন ধরণের রান্নায় ভিন্ন ধরণের কাটিং করতে হয়।
ইউএসএ তে আপনি চাইলেই ফার্মেসী থেকে যেকোন ওষুধ বিশেষ করে ব্যাথানাশক, এন্টিবায়োটিক, কিংবা ঘুমের ওষুধ কিনতে পারবেন না। ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কেবল ভিটামিন, সাপ্লিম্যান্ট এবং হালকা ব্যাথানাশক ওষুধ কিনতে পারবেন। আর আমাদের দেশেতো ঘরে ঘরে আমরা সবাই ডাক্তার!
ছুইওনা রবিন আমায় তুমি
কলংকের কালি লাগবে গায়ে
শাড়ীর আঁচল ছিড়ে যাবে
ভাল যদি বেসে থাকো রাখ গোপনে
সুধাবো মনের জ্বালা মরণের পরে।
আমার ছেলের চিড়িয়াখানা দেখার অনেক শখ। তাই ওদেরকে নিয়ে ওয়াশিংটন ডিসির স্মিথসোনিয়ান ন্যাশনাল জু’তে গেলাম। মেট্রোতে করে গেলাম। এই মেট্রো স্টেশন অনেক উপরে। নিচে নামার জন্য বিশাল এস্ক্যালেটর। নিচ থকে উপর দেখা যায় না। এর উচ্চতা ১১৫ ফুট। ওয়াশিংটন ডিসির লম্বা এস্ক্যালেটরগুলো মধ্যে এটা একটা। এত নিচে সত্যি অবাক করার মত।
প্রতি পূর্ণিমা রাতে তারা গল্প করে কিংবা গান শুনে কাটিয়ে দিত। আর প্রতি বছর একবার করে ভরা পূর্ণিমার রাতে দূরে কোথাও ঘুরতে যেত। এইভাবে করে তাদের সংসার জীবনের চতুর্থ বছরে ঘর আলো করে এলো তাদের পুত্র সন্তান। যেন মায়ের অবিকল। জন্মও হলো ভরা পূর্নিমা রাতে। এবারও মিজান সাহেব নাতির নাম রাখলেন শশী।
তুমি যত বড় নও, যদি কোন ব্যক্তি তোমাকে তার চাইতে বড় বলে তবে তার সংস্পর্শ হতে দূরে সরে থাকবে।
হযরত আলী (রা)
যশকে বীরত্বপূর্ণ কাজের সুগন্ধ বলা যেতে পারে।
সক্রেটিস